Saturday, 26 July 2014
Thursday, 17 July 2014
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড শিখুন প্রফেশনাল মানের
তবে শুরু করা যাক, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ওপেন হওয়ার পর আমরা যে ইন্টারফেসটি
দেখি চলুন তার সাথে পরিচয় হওয়া যাক। নিচের স্ক্রীনশর্টটি ভাল ভাবে লক্ষ
করুন।

1. মেনু বার (এখানে মেনুগুলো সারিবদ্ধভাবে থাকে। যেমনঃ- ফাইল মেনু, এডিট মেনু, ভিউ মেনু, ইনসার্ট মেনু ইত্যাদি)
2. স্ট্যান্ডার্ড/টুল বার (এখানে টুলসগুলো সারিবদ্ধভাবে থাকে। এই টুলসগুলোর মাধ্যমে আমরা আমাদের কাজগুলোকে অনেক দ্রুত সম্পন্ন করতে পারি। যেমন ধরুন আমাদের একটি নিউ পেজ নিতে হলে মেনুবার থেকে ফাইল>নিউ এ ক্লিক করতে হয়, কিন্তু টুলবার থেকে এ কাজটি আমরা অনেক দ্রুত করতে পারি এজন্য “New blank document” এ আইকনটিতে ক্লিক করতে হবে)
3. ফরম্যাটিং বার (এখান থেকে আমরা আমাদের টেক্সটগুলোকে বিভিন্নভাবে ফরম্যাটিং করতে পারি। যেমন টেক্সট(Font)কে বড়-ছোট করা, মোটা করা(Bold), বাঁকা করা(Italic), আন্ডারলাইন করা, এলাইনম্যান, নাম্বারইং, ফন্ট কালারসহ ইত্যাদি কাজ করা যায়। এগুলোর মাধ্যমেও আমরা আমাদের কাজগুলোকে দ্রুত করতে পারি)
4. রুলার বার (এর মাধ্যমে আমরা আমাদের পেজ-এর সঠিক মেজারম্যান/মাপ পেতে পারি)
5. স্ক্রল বার (স্ক্রল বারের সাহায্যে আমরা আমাদের পেজকে উপরে-নিচে, ডানে-বামে/ স্ক্রল করতে পারি। এজন্য স্ক্রল বারটিকে ধরে যেদিকে ইচ্ছে সেদিকে স্ক্রল করুন)
6. পেজ লেআউট (পেজ লেআউট এ আমরা আমাদের পেজটির বর্তমান অবস্থা দেখতে পারি)
7. মার্জিন (আমরা আমাদের পেজটির মার্জিন দিয়ে টেক্সটগুলোকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারি)
8. টেক্সট এড়িয়া (আমাদের লেখাগুলো টেক্সট এড়িয়ার মধ্যে থাকবে এবং এখানেই আমাদের সমস্থ কাজ করতে হবে)

1. মেনু বার (এখানে মেনুগুলো সারিবদ্ধভাবে থাকে। যেমনঃ- ফাইল মেনু, এডিট মেনু, ভিউ মেনু, ইনসার্ট মেনু ইত্যাদি)
2. স্ট্যান্ডার্ড/টুল বার (এখানে টুলসগুলো সারিবদ্ধভাবে থাকে। এই টুলসগুলোর মাধ্যমে আমরা আমাদের কাজগুলোকে অনেক দ্রুত সম্পন্ন করতে পারি। যেমন ধরুন আমাদের একটি নিউ পেজ নিতে হলে মেনুবার থেকে ফাইল>নিউ এ ক্লিক করতে হয়, কিন্তু টুলবার থেকে এ কাজটি আমরা অনেক দ্রুত করতে পারি এজন্য “New blank document” এ আইকনটিতে ক্লিক করতে হবে)
3. ফরম্যাটিং বার (এখান থেকে আমরা আমাদের টেক্সটগুলোকে বিভিন্নভাবে ফরম্যাটিং করতে পারি। যেমন টেক্সট(Font)কে বড়-ছোট করা, মোটা করা(Bold), বাঁকা করা(Italic), আন্ডারলাইন করা, এলাইনম্যান, নাম্বারইং, ফন্ট কালারসহ ইত্যাদি কাজ করা যায়। এগুলোর মাধ্যমেও আমরা আমাদের কাজগুলোকে দ্রুত করতে পারি)
4. রুলার বার (এর মাধ্যমে আমরা আমাদের পেজ-এর সঠিক মেজারম্যান/মাপ পেতে পারি)
5. স্ক্রল বার (স্ক্রল বারের সাহায্যে আমরা আমাদের পেজকে উপরে-নিচে, ডানে-বামে/ স্ক্রল করতে পারি। এজন্য স্ক্রল বারটিকে ধরে যেদিকে ইচ্ছে সেদিকে স্ক্রল করুন)
6. পেজ লেআউট (পেজ লেআউট এ আমরা আমাদের পেজটির বর্তমান অবস্থা দেখতে পারি)
7. মার্জিন (আমরা আমাদের পেজটির মার্জিন দিয়ে টেক্সটগুলোকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারি)
8. টেক্সট এড়িয়া (আমাদের লেখাগুলো টেক্সট এড়িয়ার মধ্যে থাকবে এবং এখানেই আমাদের সমস্থ কাজ করতে হবে)
Tuesday, 15 July 2014
windows7 and ভিসতায় রান এন্ট্রি
windows7 and ভিসতায় রান এন্ট্রি
রান এন্ট্রি ডিসপ্লে করা উইন্ডোজ ভিসতায় Start মেনুতে Run এন্ট্রি পাওয়া যায় না। যদি আপনি Start মেনুতে Run অপশন ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে থাকেন, তাহলে নিচে বর্ণিত ধাপগুলো অনুসরণ করে আপনার চাহিদা পূরণ করতে পারেন :- * রাইট ক্লিক করুন Start>Properties-এ। * Start মেনুতে Customize-এ ক্লিক করুন। * স্ক্রল ডাউন করে চেকবক্সে ‘Run command’ লোকেট করে সিলেক্ট করুন। * পরিশেষে Ok বাটনে ক্লিক করে পরিবর্তনগুলো সেভ করুন। সুত্র= কম্পিউটার জগত
How to partition a drive in windows vista & windows 7?
- Log on as administrator
- Go to Control Panel –> System and Maintenance –> Administrative Tools
- Choose Computer Management –> Disk Management
- Choose the Driveto partitionfor eg: Drive C
- Right Click and choose Shrink Volume. Windows vista&windows 7 will first calculate the maximum space that can be freed. You can then manually edit the amount of space to shrink by changing the value in the textbox labelled “Enter the amount of space to shrink in MB“. However the amount of space to shrink cannot be greater than the size of available shrink space and available shrink space can be restricted if snapshots or pagefiles enabled on the volume or drive.
- Click the “Shrink” button to shrink the disk space
- Upon shrinking the drive, in our case C:, you will see the “unallocated space” in your disk management utility
- Right Click the new unallocated space and select “New Simple Volume“. A “New simple volume” wizard will open
- Click ‘Next’ to continue
- You will be prompted to choose a volume size that is between the minimum and maximum disk space values
- Choose an appropriate value for your new partition and click “NEXT”
- Assign a drive letter to your new partition created out of the unallocated space and click “NEXT”
- Format the partition as NTFS.You can either choose the “Allocation unit size” as Defaultor change it.
- Type in a name in the Volume Label text box and Click “NEXT”
- click “Finish”
That is all folks. You would have successfully partitioned the hard drive in windows vista& windows 7, upon completing the above steps.Vista would have formatted your newly-created partition inside the Disk Management console.you can see your newly-created partition in “My Computer” available to read and write to.
যন্ত্রাংশের তালিকা
যন্ত্রাংশের তালিকা :
প্রাথমিকভাবে যেসব যন্ত্রাংশের প্রয়োজন হবে সেগুলো হচ্ছে- ভালোমানের পাওয়ার সাপ্লাইসহ একটি ক্যাসিং, কাজের ধরন অনুযায়ী প্রসেসর, প্রসেসর সমর্থিত মাদারবোর্ড, হার্ডডিস্ক ও র্যা ম। মাধ্যমিকভাবে যেসব যন্ত্রাংশ রয়েছে সেগুলো হলো- মনিটর, কীবোর্ড, মাউস, গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড, স্পিকার, ল্যান কার্ড বা মডেম, সিডি/ডিভিডি রম বা রাইটার, ফ্লপি ড্রাইভ (যদিও এখন তেমন একটা ব্যবহার করা হয় না) ইত্যাদি। এরপরে আরো কিছু আনুষঙ্গিক জিনিসের মধ্যে রয়েছে কমপিউটার টেবিল, ইউপিএস, কুলিং ফ্যান বা হিট সিঙ্ক, প্রিন্টার, স্ক্যানার, পেনড্রাইভ, হেডফোন, মাইক্রোফোন, ওয়েবক্যাম, জয়স্টিক বা গেমপ্যাড ইত্যাদি।
এবার আসুন একটি তালিকা তৈরি করা যাক নতুন পিসির জন্য আমাদের কী কী যন্ত্রাংশের প্রয়োজন হবে।
০১. প্রসেসর, ০২. মাদারবোর্ড, ০৩. চেসিস বা ক্যাসিং, ০৪. মনিটর , ০৫. র্যা ম, ০৬. হার্ডডিস্ক, ০৭. সিডি/ডিভিডি রম বা রাইটার, ০৮. কীবোর্ড, ০৯. মাউস ।
এটি হচ্ছে নতুন পিসি কেনার ন্যূনতম কনফিগারেশন। এখানে গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড, ল্যান কার্ডের নাম উল্লেখ করা হয়নি, কারণ এখন এই তিনটি যন্ত্রাংশ মাদারবোর্ডেই বিল্ট-ইনভাবে দেয়া থাকে। তবে সেগুলোর ক্ষমতা কিছুটা কম মানের, তাই আপনি পিসির পারফরমেন্স আরো বাড়াতে চাইলে আলাদাভাবে এই যন্ত্রাংশগুলো আপনার তালিকায় যোগ করে নিতে পারেন। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে যেভাবে লোডশেডিং হয় তাতে করে পিসি নিয়ে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়, যদি না পিসির জন্য ইউপিএস ব্যবহার করা হয়। তাই সম্ভব হলে অবশ্যই আপনার তালিকায় ইউপিএস যুক্ত করে নেবেন।
প্রাথমিকভাবে যেসব যন্ত্রাংশের প্রয়োজন হবে সেগুলো হচ্ছে- ভালোমানের পাওয়ার সাপ্লাইসহ একটি ক্যাসিং, কাজের ধরন অনুযায়ী প্রসেসর, প্রসেসর সমর্থিত মাদারবোর্ড, হার্ডডিস্ক ও র্যা ম। মাধ্যমিকভাবে যেসব যন্ত্রাংশ রয়েছে সেগুলো হলো- মনিটর, কীবোর্ড, মাউস, গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড, স্পিকার, ল্যান কার্ড বা মডেম, সিডি/ডিভিডি রম বা রাইটার, ফ্লপি ড্রাইভ (যদিও এখন তেমন একটা ব্যবহার করা হয় না) ইত্যাদি। এরপরে আরো কিছু আনুষঙ্গিক জিনিসের মধ্যে রয়েছে কমপিউটার টেবিল, ইউপিএস, কুলিং ফ্যান বা হিট সিঙ্ক, প্রিন্টার, স্ক্যানার, পেনড্রাইভ, হেডফোন, মাইক্রোফোন, ওয়েবক্যাম, জয়স্টিক বা গেমপ্যাড ইত্যাদি।
এবার আসুন একটি তালিকা তৈরি করা যাক নতুন পিসির জন্য আমাদের কী কী যন্ত্রাংশের প্রয়োজন হবে।
০১. প্রসেসর, ০২. মাদারবোর্ড, ০৩. চেসিস বা ক্যাসিং, ০৪. মনিটর , ০৫. র্যা ম, ০৬. হার্ডডিস্ক, ০৭. সিডি/ডিভিডি রম বা রাইটার, ০৮. কীবোর্ড, ০৯. মাউস ।
এটি হচ্ছে নতুন পিসি কেনার ন্যূনতম কনফিগারেশন। এখানে গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড, ল্যান কার্ডের নাম উল্লেখ করা হয়নি, কারণ এখন এই তিনটি যন্ত্রাংশ মাদারবোর্ডেই বিল্ট-ইনভাবে দেয়া থাকে। তবে সেগুলোর ক্ষমতা কিছুটা কম মানের, তাই আপনি পিসির পারফরমেন্স আরো বাড়াতে চাইলে আলাদাভাবে এই যন্ত্রাংশগুলো আপনার তালিকায় যোগ করে নিতে পারেন। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে যেভাবে লোডশেডিং হয় তাতে করে পিসি নিয়ে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়, যদি না পিসির জন্য ইউপিএস ব্যবহার করা হয়। তাই সম্ভব হলে অবশ্যই আপনার তালিকায় ইউপিএস যুক্ত করে নেবেন।
কমপিউটারের গঠন
কমপিউটারের গঠন
একটি কমপিউটার সিস্টেমে মনিটর, ক্যাসিং, কীবোর্ড, মাউস, স্পিকার ও ইউপিএস এই কয়েকটি যন্ত্রাংশই বাহ্যিকভাবে আমাদের চোখে পড়ে। অনেকেই ক্যাসিংটিকে সিপিইউ বলে থাকেন। কিন্তু তা আসলে সঠিক নয়। সিপিইউ বা Central Processing Unit-এর কাজ হচ্ছে ডাটা বা তথ্য প্রক্রিয়াজাত করা। মূলত এই কাজটি করে প্রসেসরের একটি অংশ। কাজের ধরন অনুযায়ী কমপিউটারের অংশগুলোকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। প্রথমত, ইনপুট ডিভাইস, যা কমপিউটারকে কোনো নির্দেশ দেয়ার কাজে ব্যবহার করা হয়। মাউস, কীবোর্ড, মাইক্রোফোন, ওয়েবক্যাম, স্ক্যানার, লাইট পেন সিডি বা ডিভিডি রম ইত্যাদি ইনপুট ডিভাইস। দিবতীয়ত, প্রসেসিং ইউনিট, যেখানে ইনপুট ডিভাইসের দেয়া কোনো নির্দেশ কার্যকর করা বা কমপিউটারকে দেয়া কোনো তথ্যের বিশ্লেষণের কাজ হয়ে থাকে। মূলত তথ্য বিশ্লেষণের এই কাজটি করে প্রসেসর। তৃতীয়ত, আউটপুট ডিভাইস দিয়ে কমপিউটারে বিশ্লেষিত তথ্য প্রদর্শন বা ফলাফল পাওয়া যায়। আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে রয়েছে- মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, হেডফোন, সিডি বা ডিভিডি রাইটার ইত্যাদি। সিডি বা ডিভিডি রাইটার, ফ্লপিড্রাইভ, পেনড্রাইভ, টাচস্ক্রিন মনিটর ইত্যাদি যন্ত্র ইনপুট ও আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবেই কাজ করে। চতুর্থত, মেমরি, যা তথ্য সংরক্ষণের কাজ করে এবং প্রসেসিং ইউনিটের কাজে বেশ সহায়তা করে।
একটি কমপিউটার সিস্টেমে মনিটর, ক্যাসিং, কীবোর্ড, মাউস, স্পিকার ও ইউপিএস এই কয়েকটি যন্ত্রাংশই বাহ্যিকভাবে আমাদের চোখে পড়ে। অনেকেই ক্যাসিংটিকে সিপিইউ বলে থাকেন। কিন্তু তা আসলে সঠিক নয়। সিপিইউ বা Central Processing Unit-এর কাজ হচ্ছে ডাটা বা তথ্য প্রক্রিয়াজাত করা। মূলত এই কাজটি করে প্রসেসরের একটি অংশ। কাজের ধরন অনুযায়ী কমপিউটারের অংশগুলোকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। প্রথমত, ইনপুট ডিভাইস, যা কমপিউটারকে কোনো নির্দেশ দেয়ার কাজে ব্যবহার করা হয়। মাউস, কীবোর্ড, মাইক্রোফোন, ওয়েবক্যাম, স্ক্যানার, লাইট পেন সিডি বা ডিভিডি রম ইত্যাদি ইনপুট ডিভাইস। দিবতীয়ত, প্রসেসিং ইউনিট, যেখানে ইনপুট ডিভাইসের দেয়া কোনো নির্দেশ কার্যকর করা বা কমপিউটারকে দেয়া কোনো তথ্যের বিশ্লেষণের কাজ হয়ে থাকে। মূলত তথ্য বিশ্লেষণের এই কাজটি করে প্রসেসর। তৃতীয়ত, আউটপুট ডিভাইস দিয়ে কমপিউটারে বিশ্লেষিত তথ্য প্রদর্শন বা ফলাফল পাওয়া যায়। আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে রয়েছে- মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, হেডফোন, সিডি বা ডিভিডি রাইটার ইত্যাদি। সিডি বা ডিভিডি রাইটার, ফ্লপিড্রাইভ, পেনড্রাইভ, টাচস্ক্রিন মনিটর ইত্যাদি যন্ত্র ইনপুট ও আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবেই কাজ করে। চতুর্থত, মেমরি, যা তথ্য সংরক্ষণের কাজ করে এবং প্রসেসিং ইউনিটের কাজে বেশ সহায়তা করে।
কমপিউটার
কমপিউটার
কমপিউটার একক কোনো যন্ত্র নয়, এটি কিছু যন্ত্রাংশের সমষ্টি। এই যন্ত্রাংশগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে কাজ করতে সক্ষম হয় কমপিউটার। কমপিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশের রয়েছে আলাদা কাজের ধরন ও তাদের প্রত্যেকের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার এই শব্দ দুটির সাথে সবাই পরিচিত। হার্ডওয়্যার হচ্ছে কমপিউটারের যন্ত্রাংশ যা আমরা হাত দিয়ে স্পর্শ করতে পারি, যেমন- মনিটর, কীবোর্ড, মাউস ইত্যাদি। আর সফটওয়্যার হচ্ছে কমপিউটার চালানোর জন্য যেসব প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়। মানুষের সাথে কমপিউটারের তুলনা করা হলে এককথায় বলা যায়, আমাদের হাত, পা, মাথা এগুলো হচ্ছে হার্ডওয়্যার আর আমাদের প্রাণ হচ্ছে সফটওয়্যার। সফটওয়্যার দুই ধরনের : একটি সিস্টেম বা অপারেটিং সফটওয়্যার ও অপরটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। অপারেটিং সফটওয়্যারের কাজ হচ্ছে কমপিউটার পরিচালনা করা। কিছু সিস্টেম সফটওয়্যারের মধ্যে রয়েছে ডস, উইন্ডোজ, লিনআক্স, মেকিনটোশ ইত্যাদি অপারেটিং সিস্টেম। অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হচ্ছে নির্দিষ্ট কিছু কাজের জন্য বানানো প্রোগ্রাম। যেমন- ওয়ার্ড প্রসেসিং বা লেখালেখির কাজের জন্য রয়েছে মাইক্রোসফটের ওয়ার্ড ও ওপেনসোর্সের রয়েছে ওপেন অফিস রাইটার। ছবি সম্পাদনা করার জন্য রয়েছে ফটোশপ, থ্রিডি অ্যানিমেশনের জন্য ব্যবহার করা হয় মায়া বা থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স, গান শোনা বা মুভি দেখার জন্য রয়েছে অনেক ধরনের মিউজিক বা ভিডিও প্লেয়ার ইত্যাদি।
কমপিউটার একক কোনো যন্ত্র নয়, এটি কিছু যন্ত্রাংশের সমষ্টি। এই যন্ত্রাংশগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে কাজ করতে সক্ষম হয় কমপিউটার। কমপিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশের রয়েছে আলাদা কাজের ধরন ও তাদের প্রত্যেকের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার এই শব্দ দুটির সাথে সবাই পরিচিত। হার্ডওয়্যার হচ্ছে কমপিউটারের যন্ত্রাংশ যা আমরা হাত দিয়ে স্পর্শ করতে পারি, যেমন- মনিটর, কীবোর্ড, মাউস ইত্যাদি। আর সফটওয়্যার হচ্ছে কমপিউটার চালানোর জন্য যেসব প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়। মানুষের সাথে কমপিউটারের তুলনা করা হলে এককথায় বলা যায়, আমাদের হাত, পা, মাথা এগুলো হচ্ছে হার্ডওয়্যার আর আমাদের প্রাণ হচ্ছে সফটওয়্যার। সফটওয়্যার দুই ধরনের : একটি সিস্টেম বা অপারেটিং সফটওয়্যার ও অপরটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। অপারেটিং সফটওয়্যারের কাজ হচ্ছে কমপিউটার পরিচালনা করা। কিছু সিস্টেম সফটওয়্যারের মধ্যে রয়েছে ডস, উইন্ডোজ, লিনআক্স, মেকিনটোশ ইত্যাদি অপারেটিং সিস্টেম। অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হচ্ছে নির্দিষ্ট কিছু কাজের জন্য বানানো প্রোগ্রাম। যেমন- ওয়ার্ড প্রসেসিং বা লেখালেখির কাজের জন্য রয়েছে মাইক্রোসফটের ওয়ার্ড ও ওপেনসোর্সের রয়েছে ওপেন অফিস রাইটার। ছবি সম্পাদনা করার জন্য রয়েছে ফটোশপ, থ্রিডি অ্যানিমেশনের জন্য ব্যবহার করা হয় মায়া বা থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স, গান শোনা বা মুভি দেখার জন্য রয়েছে অনেক ধরনের মিউজিক বা ভিডিও প্লেয়ার ইত্যাদি।
কম্পিউটার সম্পর্কে ধারণা
কম্পিউটার সম্পর্কে ধারণা
নতুন পিসি কেনা কি খুব কঠিন? পিসি কিনতে যাবার সময় পিসি কেনার ব্যাপারে অভিজ্ঞ কোনো লোক খুঁজে পাচ্ছেন না? কোন ধরনের পিসি কিনবেন তা বুঝতে পারছেন না? কোনটি ভালো, কোনটি খারাপ তা নিয়ে দ্বিধা? আসলে পিসি কেনার ব্যাপারটি মোটেও কঠিন কিছু নয়, শুধু পিসির যন্ত্রাংশগুলো সম্পর্কে আপনার কিছু ধারণা থাকা চাই। কারো সাহায্য ছাড়া নিজের পিসি যাতে নিজেই কিনতে পারেন, সেদিকে লক্ষ রেখে এ প্রতিবেদনে পিসির যন্ত্রাংশের পরিচিতি ও তা কেনার ব্যাপারে পরামর্শসহ রো কিছু বিষয়ের বিশদ বিবরণ তুলে ধরা হলো।
এই তো কয়েক বছর আগের কথা। কমপিউটারের দাম ছিলো আকা-ছোঁয়া। মধ্যবিত্তের জন্য তা কেনা ছিলো বিলাসিতা। কিন্তু এখন কমপিউটারের দাম অনেক কমে গেছে, তাই এখন তা কেনা বিলাসিতার পর্যায়ে পড়ে না। এখন কমপিউটার আমাদের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত এক যন্ত্র। অফিস-আদালত, ঘরবাড়ি সবখানেই এখন কমপিউটারের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষণীয়। কমপিউটার কেনার ব্যাপারে ভালো জ্ঞান না থাকলে তা কেনার সময় নানা ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হয় এবং ঠকে যাবার সম্ভাবনা থাকে। কমপিউটার কেনার আগে কমপিউটারের কী কী যন্ত্রাংশ থাকে তার সবগুলো সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকা দরকার। যারা বুদ্ধিমান তারা কমপিউটার কেনার আগে পরিচিত বা কোনো আত্মীয়কে সাথে নিয়ে যান যিনি কমপিউটার কেনার ব্যাপারে ভালো জ্ঞান রাখেন। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় এমন লোক খুঁজে পাওয়া মুশকিল হয় বা পরিচিতজনের কখন সময় হবে তার সাথে যাবার তার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। তাদের কথা লক্ষ রেখে এ প্রতিবেদনে কমপিউটারের কাজ করার ধরন, গঠন, যন্ত্রাংশের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি ও প্রতিটি যন্ত্রাংশ কেনার ব্যাপারে পরামর্শসহ আরো অনেক কিছু আলোচনা করা হবে। আমাদের বিশ্বাস এটি কমপিউটার কেনার সময় একজন গাইডের ভূমিকা পালনে সক্ষম হবে।
Subscribe to:
Comments (Atom)
